শ্রীমঙ্গল ভ্রমনের বিস্তারিত
শ্রীমঙ্গল ট্রুর প্লান
শ্রীমঙ্গলককে চায়ের রাজধানী বলা হয়।
ভাললাগার এক অপরূপ সৌন্দর্যের স্থান। নিমিশেষেই ভ্রনকারীদের মন কেড়ে নেয়। এখানে ঘুরার মত অনেক সুন্দর সুন্দর প্লেস আছে। চাইলে ১ দিনে ঘুরে আসতে পারেন। অথবা রিসোর্টেও থাকতে পারবেন।
ভাললাগার এক অপরূপ সৌন্দর্যের স্থান। নিমিশেষেই ভ্রনকারীদের মন কেড়ে নেয়। এখানে ঘুরার মত অনেক সুন্দর সুন্দর প্লেস আছে। চাইলে ১ দিনে ঘুরে আসতে পারেন। অথবা রিসোর্টেও থাকতে পারবেন।
#কি_কি_দেখবেনঃ
১. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
২. মাধবপুর লেক
৩. বন্ধভূমি ৭১
৪. সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা
৫. চা বাগান
৬. চা গবেষনা কেন্দ্র / টি মিউজিয়াম
৭. নীলকন্ঠ চা কেবিন (সাত লেয়ার চা)
১. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
২. মাধবপুর লেক
৩. বন্ধভূমি ৭১
৪. সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা
৫. চা বাগান
৬. চা গবেষনা কেন্দ্র / টি মিউজিয়াম
৭. নীলকন্ঠ চা কেবিন (সাত লেয়ার চা)
১. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের সাতটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও দশটি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে লাউয়াছড়া অন্যতম। চিরহরিৎ এ বনাঞ্চল বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের নিরাপদ আবাসস্থল।
এই বনে রয়েয়ে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ বন্যপ্রাণী ও গাছপালা। এর মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, চার প্রজাতির উভচর, ছয় প্রজাতির সরিসৃপ, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী ও ২৪৬ প্রজাতির পাখি।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের অন্যতম আকর্ষণ বিলুপ্তপ্রায় উল্লুক। গভীর জঙ্গলের উঁচু ডালে এরা পরিবারসহ বসবাস করে। এছাড়া চশমা বানর, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, মেছো বাঘ, শিয়াল, মায়া হরিণ ইত্যাদিও দেখা যায় এ বনে।
উঁচু নিচু টিলা জুড়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গঠন। পাহাড়ি টিলার মাঝে মাঝে এ বনে চলার পথ। এখানকার মাটিতে বালুর পরিমাণ বেশি। বনের ভেতর দিয়েই বয়ে গেছে বেশ কয়েকটি পাহাড়ি ছড়া। তবে এসব ছড়াগুলোর বেশিরভাগই পানিতে পূর্ণ থাকে বর্ষাকালে। সামান্য যে কটি ছড়ায় শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকে সেসব এলাকায় বন্যপ্রাণীদের আনাগোনা বেশি।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ মূল্য প্রাপ্তবয়স্ক ২০ টাকা, ছাত্র ও অপ্রাপ্তবয়স্ক ১০ টাকা, বিদেশি নাগরিক পাঁচ মার্কিন ডলার কিংবা সমমূল্যের টাকা। এছাড়া গাড়ি, জীপ ও মাইক্রোবাস পার্কিং ২৫ টাকা।
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের সাতটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও দশটি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে লাউয়াছড়া অন্যতম। চিরহরিৎ এ বনাঞ্চল বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের নিরাপদ আবাসস্থল।
এই বনে রয়েয়ে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ বন্যপ্রাণী ও গাছপালা। এর মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, চার প্রজাতির উভচর, ছয় প্রজাতির সরিসৃপ, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী ও ২৪৬ প্রজাতির পাখি।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের অন্যতম আকর্ষণ বিলুপ্তপ্রায় উল্লুক। গভীর জঙ্গলের উঁচু ডালে এরা পরিবারসহ বসবাস করে। এছাড়া চশমা বানর, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, মেছো বাঘ, শিয়াল, মায়া হরিণ ইত্যাদিও দেখা যায় এ বনে।
উঁচু নিচু টিলা জুড়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গঠন। পাহাড়ি টিলার মাঝে মাঝে এ বনে চলার পথ। এখানকার মাটিতে বালুর পরিমাণ বেশি। বনের ভেতর দিয়েই বয়ে গেছে বেশ কয়েকটি পাহাড়ি ছড়া। তবে এসব ছড়াগুলোর বেশিরভাগই পানিতে পূর্ণ থাকে বর্ষাকালে। সামান্য যে কটি ছড়ায় শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকে সেসব এলাকায় বন্যপ্রাণীদের আনাগোনা বেশি।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ মূল্য প্রাপ্তবয়স্ক ২০ টাকা, ছাত্র ও অপ্রাপ্তবয়স্ক ১০ টাকা, বিদেশি নাগরিক পাঁচ মার্কিন ডলার কিংবা সমমূল্যের টাকা। এছাড়া গাড়ি, জীপ ও মাইক্রোবাস পার্কিং ২৫ টাকা।
২. মাধবপুর লেকঃ
কিছু ছোট পাহাড় আর টিলার মাঝখানে দেখা মিলবে নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক-এর। এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। আরও বিশেষভাবে বলতে গেলে মাধবপুর চা বাগানের ১১ নম্বর সেকশনে এই লেকটির অবস্থান।
এখানে রয়েছে চা বাগান এবং লেকের পাড়ের ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ। দর্শনীয় এই লেকটির টলমলে স্বচ্ছ পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ আর লেকের পানিতে শাপলা শালুকের উপস্থিতি জায়গাটিকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তোলে। শীতকালে দেখা যায় অতিথি পাখির দল। প্রকৃতির কাছাকাছি কিছু সময় কাটানোর জন্যে এই জায়গাটির তুলনা হয় না।
কিছু ছোট পাহাড় আর টিলার মাঝখানে দেখা মিলবে নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক-এর। এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। আরও বিশেষভাবে বলতে গেলে মাধবপুর চা বাগানের ১১ নম্বর সেকশনে এই লেকটির অবস্থান।
এখানে রয়েছে চা বাগান এবং লেকের পাড়ের ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ। দর্শনীয় এই লেকটির টলমলে স্বচ্ছ পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ আর লেকের পানিতে শাপলা শালুকের উপস্থিতি জায়গাটিকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তোলে। শীতকালে দেখা যায় অতিথি পাখির দল। প্রকৃতির কাছাকাছি কিছু সময় কাটানোর জন্যে এই জায়গাটির তুলনা হয় না।
৩. সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানাঃ
সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা শ্রীমঙ্গলের রুপশপুরে অবস্থিত-
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন যা সকলের নিকট সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা নামে পরিচিত।
শিকারী সীতেশ বাবু। এ নামেই তার বহুল পরিচিতি। নিজ বাড়ীর আঙ্গিনায় গড়ে তুলেছেন ক্ষুদে চিড়িয়াখানা। ১৯৭১ সনে সীতেশ বাবু শ্রীমঙ্গল উপজেলার রামকৃষ্ণ মিশন রোডের নিজ বাড়ির একাংশে।
এখানে বন্য প্রাণীর মধ্যে রয়েছে চিত্রল হরিণ, মায়া হরিণ,বনরুই বিভিন্ন বর্ণের খরগোশ, সোনালী খাটাশ, বিরল প্রজাতির সোনালী বাঘ, দেশের একমাত্র সাদা বাঘ, সোনালী কচ্ছপ, ভাল্লুক, লজ্জাবতী বানর এবং সরীসৃপের মধ্যে অজগর সাপ, গুইসাপ প্রভৃতি। পাখিঃ সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় ধনেশ, হেমালিয়ান টিয়া, ময়না পাখি, কাসে-চড়া, কালিম, বাজিরিক, শঙ্খচিল, তোতা, সবুজ ঘুঘু, হরিয়াল, ঘুঘু, শিশিবক ইত্যাদি।
সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা শ্রীমঙ্গলের রুপশপুরে অবস্থিত-
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন যা সকলের নিকট সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা নামে পরিচিত।
শিকারী সীতেশ বাবু। এ নামেই তার বহুল পরিচিতি। নিজ বাড়ীর আঙ্গিনায় গড়ে তুলেছেন ক্ষুদে চিড়িয়াখানা। ১৯৭১ সনে সীতেশ বাবু শ্রীমঙ্গল উপজেলার রামকৃষ্ণ মিশন রোডের নিজ বাড়ির একাংশে।
এখানে বন্য প্রাণীর মধ্যে রয়েছে চিত্রল হরিণ, মায়া হরিণ,বনরুই বিভিন্ন বর্ণের খরগোশ, সোনালী খাটাশ, বিরল প্রজাতির সোনালী বাঘ, দেশের একমাত্র সাদা বাঘ, সোনালী কচ্ছপ, ভাল্লুক, লজ্জাবতী বানর এবং সরীসৃপের মধ্যে অজগর সাপ, গুইসাপ প্রভৃতি। পাখিঃ সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় ধনেশ, হেমালিয়ান টিয়া, ময়না পাখি, কাসে-চড়া, কালিম, বাজিরিক, শঙ্খচিল, তোতা, সবুজ ঘুঘু, হরিয়াল, ঘুঘু, শিশিবক ইত্যাদি।
#কখন_যাবেনঃ
প্রায় সারা বছরই ভ্রমণে যাওয়া যায় শ্রীমঙ্গলে।
তবে সাধারণ পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য অক্টোবর থেকে মার্চ মাস ভালো সময়।
প্রায় সারা বছরই ভ্রমণে যাওয়া যায় শ্রীমঙ্গলে।
তবে সাধারণ পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য অক্টোবর থেকে মার্চ মাস ভালো সময়।
#কীভাবে_যাবেনঃ
ঢাকার ফকিরাপুল ও সায়দাবাদ থেকে হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, এনা ইত্যাদি পরিবহনের নন এসি বাস যায় শ্রীমঙ্গল।
ভাড়া ৩৫০-৪০০ টাকা।
ঢাকার ফকিরাপুল ও সায়দাবাদ থেকে হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, এনা ইত্যাদি পরিবহনের নন এসি বাস যায় শ্রীমঙ্গল।
ভাড়া ৩৫০-৪০০ টাকা।
এছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটগামী বেশ কিছু ট্রেনে যাওয়া যায়।
সকাল ৬.৪০ মিনিটে আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার বন্ধ থাকে)
দুপুর ১২.০০ মিনিটে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং
রাত ১০.০০ মিনিটে ছাড়ে উপবন এক্সপ্রেস (বুধবার বন্ধ থাকে)
সময় লাগে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা।
ভাড়া শ্রেনীভেদে ১১৫ থেকে ৭৬৫ টাকা।
সকাল ৬.৪০ মিনিটে আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার বন্ধ থাকে)
দুপুর ১২.০০ মিনিটে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং
রাত ১০.০০ মিনিটে ছাড়ে উপবন এক্সপ্রেস (বুধবার বন্ধ থাকে)
সময় লাগে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা।
ভাড়া শ্রেনীভেদে ১১৫ থেকে ৭৬৫ টাকা।
এছাড়া চট্টগ্রাম ট্রেনে সরাসরি শ্রীমঙ্গল যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম থেকে সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮.১৫ মিনিটে আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস এবং
শনিবার ছাড়া প্রতিদিন রাত ৯.০০ মিনিটে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস।
ভাড়া শ্রেনীভেদে ২৩০ থেকে ৫৯৫ টাকা।
শনিবার ছাড়া প্রতিদিন রাত ৯.০০ মিনিটে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস।
ভাড়া শ্রেনীভেদে ২৩০ থেকে ৫৯৫ টাকা।
#কোথায়_খাবেনঃ
১. পানসি রেস্টুরেন্ট।
২. পাচ ভাই রেস্টুরেন্ট।
সকালের খাবার খরচ- ৬০-১২০ টাকা।
দুপুর ও রাতের খাবার- ১২০- ২৫০ টাকা।
১. পানসি রেস্টুরেন্ট।
২. পাচ ভাই রেস্টুরেন্ট।
সকালের খাবার খরচ- ৬০-১২০ টাকা।
দুপুর ও রাতের খাবার- ১২০- ২৫০ টাকা।
#কিভাবে_ঘুরবেনঃ
১. টিম ৪/৫ জনের হলে সারাদিনের জন্য CNG রিজার্ভ নিতে পারেন। সব স্পট ঘুরে দেখাবে।
ভাড়া- ১২০০-১৪০০ টাকা। দরদাম করে নিবেন।
২. টিম ৭/৮ জন বা বেশি হলে হলে সারাদিনের জন্য চান্দের গাড়ি রিজার্ভ নিতে পারেন। সব স্পট ঘুরে দেখাবে।
ছোট চান্দের গাড়িতে ৮ জন বসা যায়। ভাড়া- ১৫০০-১৮০০ টাকা। দরদাম করে নিবেন।
বড় চান্দের গাড়িতে ১০ জন বসা যায়। ভাড়া- ১৮০০-২২০০ টাকা। দরদাম করে নিবেন।
১. টিম ৪/৫ জনের হলে সারাদিনের জন্য CNG রিজার্ভ নিতে পারেন। সব স্পট ঘুরে দেখাবে।
ভাড়া- ১২০০-১৪০০ টাকা। দরদাম করে নিবেন।
২. টিম ৭/৮ জন বা বেশি হলে হলে সারাদিনের জন্য চান্দের গাড়ি রিজার্ভ নিতে পারেন। সব স্পট ঘুরে দেখাবে।
ছোট চান্দের গাড়িতে ৮ জন বসা যায়। ভাড়া- ১৫০০-১৮০০ টাকা। দরদাম করে নিবেন।
বড় চান্দের গাড়িতে ১০ জন বসা যায়। ভাড়া- ১৮০০-২২০০ টাকা। দরদাম করে নিবেন।
#কোথায়_থাকবেনঃ
শ্রীমঙ্গল থাকার জন্য বেশ কিছু রিসোর্ট আছে
১. লেমন গার্ডেন রিসোর্ট।
ফোন- ০১৭৬৩৪৪৪০০০, ০১৭৫৮৭৭১৪৯২।
২.টি রিসোর্ট
ফোন- ০১৭১২৯১৬০০১
৩. রেইন ফরেস্ট রিসোর্ট
ফোন- ০১৯৩৮৩০৫৭০৭
৪. নিসর্গ নিরব ইকো রিসোর্ট
ফোন- ০১৭১৫০৪১২০৭
৫. নিসর্গ লিচিবাড়ি ইকো রির্সোট
ফোন- ০১৭১৬৯৩৯৫৪০
রুম ভাড়া- ২০০০-৪০০০ মধ্যে।
শ্রীমঙ্গল থাকার জন্য বেশ কিছু রিসোর্ট আছে
১. লেমন গার্ডেন রিসোর্ট।
ফোন- ০১৭৬৩৪৪৪০০০, ০১৭৫৮৭৭১৪৯২।
২.টি রিসোর্ট
ফোন- ০১৭১২৯১৬০০১
৩. রেইন ফরেস্ট রিসোর্ট
ফোন- ০১৯৩৮৩০৫৭০৭
৪. নিসর্গ নিরব ইকো রিসোর্ট
ফোন- ০১৭১৫০৪১২০৭
৫. নিসর্গ লিচিবাড়ি ইকো রির্সোট
ফোন- ০১৭১৬৯৩৯৫৪০
রুম ভাড়া- ২০০০-৪০০০ মধ্যে।
বেশ ভাল মানের রিসোর্টও আছে।
ভাড়া একটু বেশি।
১. গ্রান্ড সুলতান গলফ রিসোর্ট। পাঁচ তারকা মানের এ রিসোর্ট ব্যয়বহুল।
ফোন: ০১৭৩০৭৯৩৫৫২-৭
২. নভেম ইকো রিসোর্ট
ফোন- ০১৭০৯-৮৮২০০০
ভাড়া একটু বেশি।
১. গ্রান্ড সুলতান গলফ রিসোর্ট। পাঁচ তারকা মানের এ রিসোর্ট ব্যয়বহুল।
ফোন: ০১৭৩০৭৯৩৫৫২-৭
২. নভেম ইকো রিসোর্ট
ফোন- ০১৭০৯-৮৮২০০০
#পরিবেশ_বান্দব তথ্যঃ
সঙ্গে নেওয়া পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট, অন্য যেকোন প্লাষ্টিক জাতীয় জিনিস বনের মধ্যে না ফেলে সঙ্গে এনে বাইরে নিদিষ্ট জায়গায় ফেলবেন।
ঘুরার আনন্দটুকু শুধু আপনার কিন্তু পরিবেশটা আমাদের সকলের। তাই পরিবেশের কোন ক্ষতি করবেন না।
তথ্য ও সূত্রঃ ইন্টারনেট।
সঙ্গে নেওয়া পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট, অন্য যেকোন প্লাষ্টিক জাতীয় জিনিস বনের মধ্যে না ফেলে সঙ্গে এনে বাইরে নিদিষ্ট জায়গায় ফেলবেন।
ঘুরার আনন্দটুকু শুধু আপনার কিন্তু পরিবেশটা আমাদের সকলের। তাই পরিবেশের কোন ক্ষতি করবেন না।
তথ্য ও সূত্রঃ ইন্টারনেট।

Comments
Post a Comment